Header Ads

লাইলাতুল কদর: আজ থেকেই শুরু হতে পারে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ সেই রজনী


লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাচরণ আমাদের জন্য একটি চমৎকার ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে। হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত সহিহ হাদিসে উল্লেখ আছে, রমজানের শেষ দশক শুরু হলে রাসূলুল্লাহ (সা.) ইবাদতের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিতেন, নিজে সারা রাত জেগে থাকতেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে দিতেন। এই হাদিসটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে আমাদের শেখায় যে, লাইলাতুল কদরের বরকত লাভের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো রমজানের শেষ দশ দিনের প্রতিটি রাতকেই সমান মর্যাদায় দেখা। মহানবী (সা.) শেষ দশকের প্রতিটি মুহূর্তকেই স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের এক অনন্য সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতেন, যা মুমিনদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা।


শেষ দশকের এই সার্বক্ষণিক ইবাদতের পাশাপাশি, নির্দিষ্টভাবে বেজোড় রাতগুলোর প্রতিও হাদিসে বিশেষ দিকনির্দেশনা রয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনায় মহানবী (সা.) বলেছেন, “তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করো।” অর্থাৎ, ২১, ২৩, ২৫, ২৭ অথবা ২৯তম রাতের যেকোনো একটিতে এই মহিমান্বিত রাত অবতীর্ণ হতে পারে। দিনক্ষণ সুনির্দিষ্ট না করে এটি গোপন রাখার পেছনে গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা রয়েছে বলে ইসলামি আলেমরা মনে করেন। রাতটি নির্দিষ্ট থাকলে মানুষ হয়তো কেবল একটি রাতেই ইবাদত করত। এটি প্রচ্ছন্ন রাখার ফলে মানুষ শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই ইবাদতে সচেষ্ট হন, যা তাদের মধ্যে স্রষ্টার প্রতি ধারাবাহিক আনুগত্য এবং আত্মিক শৃঙ্খলার বিকাশ ঘটায়।

মহানবী (সা.) এই রাতের ইবাদতের ওপর ক্ষমার দৃষ্টিকোণ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি পূর্ণ ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। মহানবী (সা.) প্রতি বছর রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। এটি বিশ্বাসীদের জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিক পুনর্জাগরণের সুযোগ এনে দেয়, যেখানে মানুষ নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে নতুন জীবনযাপনের প্রতিজ্ঞা করতে পারে।



Laylatul Qadr - লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও গুরুত্ব

পবিত্র রমজানে নাজাতের দশদিন গণনা শুরু হচ্ছে। আর সে সাথে লাইলাতুল কদর গণনাও শুরু হয়ে যায়। লাইলাতুল কদর‎‎ এর অর্থ অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা পবিত্র রজনী। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুল’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। এ ছাড়া এর অন্য অর্থ হচ্ছে; ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা। ইসলাম ধর্ম অনুসারে, এ রাতে মহানবী (সা.) এর সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।


তাই প্রতিটি মুসলমানের কাছে এই রাত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মহাসম্মানিত হিসেবে পরিগণিত। পবিত্র কোরাআন শরীফের বর্ণনা অনুসারে, আল্লাহ এই রাত্রিকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন এবং এই একটি মাত্র রজনীর উপাসনা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও অধিক সওয়াব অর্জিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবছর মাহে রমজানে এই মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর মুসলিমদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে।

লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব আল্লাহ এ রাতকে সকল রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে এ রাতকে প্রশংসার সাথে উল্লেখ করেছেন আল্লহ নিজেই। তিনি তাঁর কালাম সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইরশাদ করেন, নিশ্চয় আমি এটি নাজিল করেছি বরকতময় রাতে; নিশ্চয় আমি সতর্ককারী। সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়, আমার নির্দেশে। নিশ্চয় আমি রাসুল প্রেরণকারী। তোমার রবের কাছ থেকে রহমত হিসেবে; নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। যিনি আসমানসমূহ, জমীন ও এ দুয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর রব; যদি তোমরা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণকারী হও। তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃ পুরুষদের রব। (দুখান ৩-৮)


বরকতময় রজনী হলো লাইলাতুল কদর। আল্লাহ বরকতময় বলে অভিহিত করেছেন। কারণ এ রাতে রয়েছে যেমন বরকত তেমনি কল্যাণ ও তাৎপর্য। বরকতের প্রধান কারণ হল এ রাতে আল-কোরান নাজিল হয়েছে। এ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-সিদ্ধান্ত লওহে মাহফুজ থেকে ফেরেশতাদের হাতে অর্পণ করা হয় বাস্তবায়নের জন্য। এ রাতের অপর একটি বৈশিষ্ট্য হলো আল্লাহ তাআলা এ রাত সম্পর্কে একটি পূর্ণ সূরা অবতীর্ণ করেছেন। যা কিয়ামত পর্যন্ত পঠিত হতে থাকবে।


আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয় আমি এটি নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। তোমাকে কিসে জানাবে লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে। শান্তিময় সে রাত ফজরের সূচনা পর্যন্ত। (সূরা কদর: ১-৫)

 

আল-কোরআনে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি লাইলাতুল কদর কোন রাত। তবে কোরআনের ভাষ্য হলো লাইলাতুল কদর রমজান মাসে। কিয়ামত পর্যন্ত রমজান মাসে লাইলাতুল কদর অব্যাহত থাকবে। এবং এ রজনী রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে হবে বলে সহিহ হাদিসে এসেছে। এবং তা রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে হাদিসে এসেছে।


হাদিসে আছে, ‘রমাযানের শেষ দশ দিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ করো। ’ (বোখারি ২০২০ মুসলিম :১১৬৯)


এবং রমজানের শেষ সাত দিনে লাইলাতুল কদর থাকার সম্ভাবনা অধিকতর। যেমন হাদিসে আছে, তোমরা রমাযানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খোঁজ করো। (বোখারি: ২০১৭)


অধিকতর সম্ভাবনার দিক দিয়ে প্রথম হলো রমজান মাসের সাতাশ তারিখ। দ্বিতীয় হল পঁচিশ তারিখ। তৃতীয় হল ঊনত্রিশ তারিখ। চতুর্থ হল একুশ তারিখ। পঞ্চম হল তেইশ তারিখ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ রাতকে গোপন রেখেছেন আমাদের উপর রহম করে। তিনি দেখতে চান এর বরকত ও ফজিলত লাভের জন্য কে কত প্রচেষ্টা চালাতে পারে। লাইলাতুল কদরে আমাদের কর্তব্য হলো বেশি বেশি নিজের জন্য আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন।




লাইলাতুল কদর উপলক্ষে আমাদের করণীয়


ক. কদরের ফজিলত পাওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু নফল ইবাদত করা, নফল নামাজ আদায় করা। কোরআন তেলাওয়াত করা, তাছবীহ তাহলীল পাঠ করা কর্তব্য। দুই দুই রাকআত করে নফলের নিয়ত করে যেকোনো সূরাই সূরা ফাতেহার সঙ্গে মিলিয়ে নামাজ পড়া যাবে। তাতে কোনো অসুবিধা নেই। উত্তম হলো নফল নামাজ ধীরে সুস্থে লম্বা লম্বা ক্বেরাত দিয়ে পড়া এবং ধীরস্থিরে রুকু-সিজদা আদায় করা।


খ. লাইলাতুল কদর হলো বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এ রাতের শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো ক্ষমা চাওয়ার দোয়া। এ রাতে মহানবী (সা.) ক্ষমা চাওয়ার দোয়া শিক্ষা দিলেন যে, তুমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাও, ক্ষমা পাওয়ার জন্য দোয়া করো। হাদীস শরীফে আছে হযরত আয়েশা (রা.) মহানবী (সা.) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইয়া রাসূল আল্লাহ! যদি আমি বুঝতে পারি শবে কদর কোন রাত, তাহলে ঐ রাতে আমি কি বলব? আল্লাহর কাছে কি চাইব? প্রিয় নবী (সা.) তদুত্তরে বলেন তুমি বলবে, ‘হে আল্লাহ আপনি বড়ই ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে আপনি ভালবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন। ’ আরবি দোয়া হলো- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা, আফুউন তুহেববুল আফওয়া, ফাওফু আন্নি (ইবনে মাজাহ)।


কেউ যদি জীবনে অনেক কিছু পায় কিন্তু ক্ষমা না পায়, তাহলে তার জীবন ব্যর্থ। তাই এ রাতে অন্তরকে নরম করে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার পূর্বে খাঁটি দিলে তওবা ইস্তেগফার করতে হয়। খাঁটি তওবার চারটি শর্ত:


১. পূর্বের গুনাহ থেকে ফিরে আসা বা গুনাহ ছেড়ে দিতে হবে;


২. গুনাহর জন্য মনে মনে অনুতপ্ত হতে হবে যে, আমি বড়ই অন্যায় করেছি;


৩. ভবিষ্যতে ওই গুনাহ আর করবো না বলে মনে মনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করতে হবে;


৪. বান্দাহর কোনো হক নষ্ট করে থাকলে যথাসাধ্য সে হক আদায় করে দিতে হবে।


গ. এ রাতের আরেকটি আমল ফুকাহায়ে কিরামগণ বলেছেন যে, এ রাতে ইবাদাতের পূর্বে যদি কেউ গোসল করে নিতে পারে তার সেটাই উত্তম। 


উক্ত আমলগুলো শুধু ২৭ রমজান নয় বরং রমজানের শেষ দশ দিনের প্রত্যেক বেজোড় রাতে শবেকদর তালাশ করতে হবে। এজন্য মহানবী (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইতেকাফ করতেন। আর উম্মতের জন্য শরীয়তে ইতেকাফের বিধান কিয়ামত পর্যন্ত জারি রেখে গিয়েছেন যেন তারা ইতেকাফের মাধ্যমে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেকটি বেজোড় রাতে এবাদত করতে পারেন। আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরে কোরআন নাজিল করেন। 


এ রাত বছরে একবার আসে আর চলে যায়। কিন্তু এ রাতের মহান নিয়ামত কোরআন মানব সমাজেই বিরাজমান থাকে চিরদিন। মানব জীবনে সাফল্য এই কোরআনের আমলের উপরই নির্ভরশীল। এই রাতের মর্যাদা মূল্যায়ন তখনই যথার্থ হবে। যখন আমরা কোরআনের নির্দেশিত পথে চলবো, আর কোরআনের বাহক মুহম্মদ (সা.) এর পূর্ণাঙ্গ আনুগত্য করবো। এ রাতের সর্বাপেক্ষা মহৎ প্রাপ্তি হলো কোরআনের হক আদায় করা এবং আল্লাহর বান্দাদেরকে কোরআন প্রদর্শিত পথে পরিচালিত করার জন্য নিজেদেরকে সর্বদা প্রস্তুত করা।


আল্লাহ যেন সবাইকে লাইলাতুল কদর তালাশ করার তৌফিক দান করুন। সে অনুয়ারী আমল করার তৌফিক এনায়েত করুন। আমিন। আমিন।


লেখক: উপ-পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।





রমজানের শেষ দশকে সওয়াব বাড়ানোর কৌশল


রমজানের শেষ দশককে সার্থকভাবে কাটাতে এখানে আটটি উপায় তুলে ধরা হলো—

লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা: রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর থাকার সম্ভাবনা বেশি। তাই এই রাতগুলোতে বেশি বেশি নামাজ, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতে মনোযোগী হওয়া উচিত।

কোরআন তেলাওয়াত ও অর্থ বোঝার চেষ্টা করা: এই সময় কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা উচিত। তেলাওয়াতের পাশাপাশি কোরআনের অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে। কোরআন অনুধাবন করতে হবে। অর্থে বুঝে কোরআন পড়তে পারলে ইসলামকে গভীরভাবে জানা যায়।

নফল নামাজ আদায়: রমজানের শেষ দশকে বেশি বেশি তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ বা অন্যান্য নফল ইবাদত করা যেতে পারে। রাতের নির্জনতায় ইবাদতে অন্তরে প্রশান্তি মেলে। আল্লাহর কাছাকাছি যাওয়া যায়। আল্লাহকে পাওয়ার পথ সহজ হয়।

দোয়া ও ইসতেগফার করা: রমজান চলে যাচ্ছে। আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ বয়ে যাচ্ছে। রমজান পেয়ে যদি গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়া না যায়, তাহলে এর চেয়ে বড় হতভাগা আর কে আছে। এজন্য বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। ইসতেগফার করতে হবে। এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে—

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

ডিভাইস বা স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা: মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা বিভিন্ন স্ক্রিন আমাদের মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তাই শেষ দশকে যতটা সম্ভব এসব ডিভাইস থেকে দূরে থাকলে ইবাদতে একাগ্রতা বাড়ে। এক্ষেত্র Kahf Guard নামের একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশনের সহযোগিতা নিতে পারি। এর কার্যকতারিতা হলো, কোনো ডিভাইসে এই অ্যাপলিকেশনটি ইনস্টল করা থাকলে লক্ষ লক্ষ পর্নোগ্রাফিক সাইটসহ খারাপ বা অশ্লীল ছবি ও ভিডিওকে DNS লেভেলে ব্লক করে দেয়।

দান-সদকা বৃদ্ধি করা: রমজানে দানের সওয়াব অনেক বেশি। গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা, ইফতার করানো বা যেকোনোভাবে মানুষের উপকার করা এই সময় বিশেষ ফজিলতের কাজ।

ইতেকাফ করা: শেষ দশকে ইতেকাফ করা অত্যন্ত উত্তম আমল। এতে দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে দূরে থেকে আল্লাহর ইবাদতে সম্পূর্ণ মনোযোগী হওয়া যায়। সম্ভব হলে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করা যেতে পারে।

পরিবারকে ইবাদতে উৎসাহ দেওয়া: শুধু নিজে ইবাদত করাই যথেষ্ট নয়, বরং পরিবারের সদস্যদেরও উৎসাহ দেওয়া উচিত। একসঙ্গে কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া বা নফল নামাজ আদায় করলে ঘরের পরিবেশও ইবাদতময় হয়ে ওঠে।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.